Justice for Irfan Al-Hussaini - Sign the Petition! c.org/dXspTjkdCf via @Change
Shamim Hossain retweeted
🚨🇨🇳 These "rural" homes are in Zhejiang.
China is developing because they don't spend billions on war.
Shamim Hossain retweeted
🚨🇵🇸 HAMAS: "With its unlimited political and military support for the occupation (Israel), Washington bears full responsibility for the massacres and the killing of women and children in Gaza."
Shamim Hossain retweeted
🇿🇦 The media will NEVER show you this!
The media is LYING about Julius Malema!
I can't understand how a terrorist occupation organization can achieve international recognition from a lot of countries!
Is the media culprit here or those recognizing countries?
নবম-দশম শ্রেণীর পাঠ্য বই।
প্রাচীন ম্যাপের চিত্রায়নে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ যে দেশকে স্বীকৃতি দেয় না সে দেশের (ইস-ড়াইল) নাম এনেছে আর বাংলাদেশ কর্তৃক স্বীকৃত দেশ (ফিলিজ টিন) এর নাম গন্ধও সেখানে নেই। এমনকি সেদেশের একটা অংশ 'গাজা' অঞ্চলকে গাজা না লিখে 'গাম্বিয়া' লিখে দিয়েছে।
বাহ!
Consistency is a very powerful tool on the way to success!
গত ৭ জানুয়ারী ছিল আমার জীবনে একটা আনন্দের দিন। সমস্ত প্রশংসা আল্লহ্ রব্বুল আলামীনের যিনি আমাকে ঐদিন তাঁর পবিত্র কুরআনুল কারিম খতম করার তৌফিক দিয়েছেন। নিজের আমল পাবলিকলি শেয়ার করাটা সাধারণত ইখলাসের পরিপন্থী, তবে আমি এজন্য শেয়ার করছি যদি কিছু ভাই/বোনদের এর মাধ্যমে উপকার হয় যারা কিনা Work-Life ব্যালেন্সের ভিতর দিয়ে নিজের আমলটাকে কন্টিনিউ করতে চান।
খতম যদিও আমি আগেও করেছি আলহামদুলিল্লাহ্, তবে এবারের খতমের স্ট্রাটেজিটা ছিল ভিন্ন। এটা ছিল ''Making Habit Through Consistentency' ক্যাটাগরির। আগে এই পাওয়ারফুল টুলটা সম্পর্কে কিছু বলি তারপর মূল বিষয়ে যাই।
যেকোনো কাজ (তা যত ছোট বা বড় হোক না কেন) মানুষ যদি একাধারে একটানা নিয়মিত করতে পারে তা তার অভ্যাসে রূপান্তর হয় যায়। Subconscious মাইন্ডে ওই কাজের রুটিন এমনভাবে গেঁথে যায় যে সে কাজটা করার জন্য তার আর অতিরিক্ত প্রেসার নিতে হয় না এবং সেটা তার দৈনন্দিন এক্টিভিটির উপর অতিরিক্ত বোঝাও হয় না। কাজটা মনের অজান্তেই তার লাইফের হ্যাবিট প্যাটার্নে ঢুকে পড়ে।
যেমন ধরুন একজন লোকের প্রতিদিন রাতে মিসওয়াক/ব্রাশ করে ঘুমানোর অভ্যাস। প্রতিদিন এই কাজের পিছনে তার দুই/পাঁচ মিনিট সময় ব্যয় হলেও এটাকে তখন আর এক্সট্রা প্রেশার হিসেবে ব্রেন কনসিডার করে না। নিমিষেই হয়ে যায়, বলা যায় একপ্রকার অটোমেটিক হয়ে যায়।
কারো প্রতিদিন লাঞ্চের পরে চা পান করার অভ্যাস। একদিন এই চা না খেলে তার শরীরের কোন ক্ষতি হবে না কিন্তু তারপরও কোনদিন যদি গ্যাপ যায় বা ওই মুহূর্তে চা এভেলেবেল না থাকে মনটা আনচান করতে থাকে, কেমন যেন আন-প্রডাক্টিভ লাগে। কারণ ওই মুহূর্তে তার ব্রেন প্রতিদিনকার হ্যাবিটকে এক্সিকিউট করতে পারছে না।
আমরা যারা বাইক চালাতে পারি তারা যদি একদম শুরুর দিকের কথা চিন্তা করি তাহলে বিষয়টা সহজে অনুমেয়। বাইক রাইডিং এর সময় কিন্তু ব্রেনের অনেক বেশি কম্পিউটিং রিসোর্স অ্যালোকেট করতে হয়। ডান পায়ে ব্রেক, বাম পায়ের পাতা ও তালু (অর্থাৎ উপরের ও নিচের দিকে) দুইটা গিয়ার ডিরেকশন, ডান হাতে ব্রেক এবং থ্রোটল, বাম হাতে ক্লাচ, ডানের এবং বামের লুকিং গ্লাস, একইসঙ্গে ক্লাচ এবং থ্রোটলের মেকানিক্যাল সমন্বয় যেটা কিনা দুই হাতের মাধ্যমে ব্যস্তানুপাতিক হারে করতে হয়... এই সব কিছুকে প্যারালালি ব্রেনকে প্রসেস করতে হয়। নতুন আমরা যারা বাইক চালাতে শেখা শুরু করি তখন ব্রেইনের জন্য এই সবকিছুই থাকে নতুন ফলে কোন কিছুর আনুপাতিক ব্যালেন্স ঠিক থাকেনা। আমরা সেফ কোন রাস্তায়/মাঠে একই কাজ ও হাত পায়ের ব্যবহার এগেইন অ্যান্ড এগেইন করতে থাকি। ফলে ব্রেইন কাজগুলোর সিকুয়েন্স এবং প্যাটার্ন বুঝে নেয়। ব্রেনের এটা অভ্যাস হয়ে যায় যে গিয়ার শিফটের আগে ক্লাচে গিয়ে বাম হাত পড়বে। এরপর যখন অভ্যাস হয়ে যায় তখন এই কাজের জন্য আর ম্যানুয়ালি এক্সট্রা প্রেশারের সিগনাল ব্রেনে পাস করতে হয় না। অন্যমনস্ক হয়েও বাইক চালানো যায় (এটা আবার না করতে যাই আমরা 🙂), সাবকনশাস মাইন্ড সিনারিওগুলো হ্যান্ডেল করতে থাকে। This is the power of habit (BTW, 'Power of Habit' নামে একটা বইও আছে, চাইলে পড়তে পারেন)।
যাইহোক, মূল কথা হচ্ছে কোন একটা কাজকে লম্বা সময় ধরে নিয়মিত করতে থাকলে তখন সেই কাজ অভ্যাসে রূপান্তর হয় যার জন্য ব্রেন কে বাড়তি প্রেশার নিতে হয় না। এবং একজন মানুষের পক্ষে সেই কাজটা করা খুব সহজ হয়ে যায়।
এবার আসি মূল কথায়।
গেল রমজানের পর থেকে (বা রমজানের একদম শেষ সময় থেকে, মনে নেই) প্রতিদিন ১৫ মিনিটের টার্গেট নিয়ে কুরআন তিলাওয়াত শুরু করার তৌফিক দান করেন আল্লহ্ তাআলা। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় এক বসাতেই ১৫ মিনিট করে। যে কয় পৃষ্ঠা হয় হোক কিন্তু টাইম ওই ১৫ মিনিটই (মাঝে মধ্যে ক্ষেত্র বিশেষে হয়তো কম-বেশি)। প্লে স্টোর থেকে 'Multi Timer Stopwatch ' নামের অ্যাপসটি ইন্সটল করে নিয়েছিলাম। দারুন একটা অ্যাপস। বিভিন্ন আলাদা আলাদা টাস্কের জন্য টাইমার সেট করে রাখা যায়। তো এখানে কুরআন তেলাওয়াতের জন্য ১৫ মিনিট টাইম সেট করে রেখেছিলাম। তেলাওয়াতের শুরুতে স্টার্ট করে দিতাম তারপর যখন টাইমার নোটিফিকেশন দিতো, তেলাওয়াত একটা জায়গায় শেষ করে থামিয়ে দিতাম। এভাবে করতে করতে কয়েক সপ্তাহ পরে কাজটা আমার অভ্যাসে রূপান্তর হয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ্। আর আমার জন্য এই সময়টা ছিল যে কোন একটা নামাজ পরবর্তী সময়। আমি নামাজ শেষ করে সাধারণত এক বসাতেই তেলাওয়াতের কাজটাও সেরে নিতাম। মাত্র ১৫ মিনিট সময় চোখের পলকেই চলে যায়। তো কাজটা যখন অভ্যাসে রূপান্তর হল তখন আমার অন্য কোন বাড়তি মনস্তাত্ত্বিক প্রিপারেশন এর প্রয়োজন থাকতো না। জাস্ট প্রতিদিন একটা অভ্যাস এক্সিকিউট হতো আরকি। ঠিক পাই টু পাই প্রতিদিনই যে তিলাওয়াত করতে পারতাম তা না, মাঝে মাঝে গ্যাপ যেত, যা করা আমার উচিত হয়নি।
এভাবে চলতে চলতে গত ৭ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে আল্লহ্'র অশেষ কৃপায় আমার কুরআন খতম হয়ে যায়। অফিস, সংসার, বউ, বাচ্চা সহ হরেক রকমের কাজের ব্যস্ততার ভিতরেও আট থেকে সাড়ে আট মাসের মধ্যে পবিত্র কুরআনুল কারিম খতম হয়ে যাওয়াটা আমার জন্য এক অশেষ নেয়ামত ছিল আল্লহ'র পক্ষ থেকে।
আলহামদুলিল্লাহ ♥️!!! সমস্ত প্রসংশা আল্লহ্ তাআলার জন্য যার দয়ার মুখাপেক্ষী আমরা সকলে।
তো এটা ব্রড পিপলের সাথে শেয়ার করার উদ্দেশ্য আমার আমলকে দেখানো নয়, বরং যদি এই প্রক্রিয়া (Creating Habit Through Consistent Work) ব্যবহার করে কোন ভাই/বোন উপকৃত হতে পারে তাহলে সেটাও আমার জন্য একটা সওয়াবের রাস্তা খুলে দেবে ইংশাআল্লহ্।
মহান আল্লহ্ তায়ালা আমাদেরকে দুনিয়ার কাজের পাশাপাশি আখিরাতকেও সাজানোর তৌফিক দান করুন। নেক আমালও ঢুকে পরুক আমাদের দৈনিন্দিন রুটিনের ওলি-গলিতে।
সুবহান আল্লহ!
এটা আল্লাহ তাআলার যুক্তি, আর কেউই এ যুক্তিকে খন্ডন করতে পারেনা।
অবশ্য নাস্তিকরা এই এই যুক্তি এভাবে খন্ডন করে যে, এমনি এমনি মানুষের পেটের মধ্যে আর একটা মানুষ তৈরির প্রক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে গেছে!
কি হাস্যকর 'এমনি এমনি' যুক্তি 🤓









