Revolt (@revolt_71) header
Revolt (@revolt_71) profile picture

Bangladesh First I Begum Khaleda Zia I Long Live The Monsoon Revolution I I Stand Against Indian Hegemony - #IndiaOut I Opinions are Personal I No Endorsement

🌎
Joined November 2018
জামাত এবং তাদের কমেডি!
108
Lahore witnessed a little history as Pakistan finally turned home advantage into an ODI final triumph. After losing their previous three finals on home soil, they defeated Sri Lanka to break the sequence and lift their first tri-series title since the 2008 Kitply Cup, when India were beaten in the final in Dhaka. Seventeen years separate those triumphs, a reminder of how rare these moments have become. For #Pakistan, this was more than another trophy: it was the satisfaction of finishing the job before their own supporters. A familiar setting finally delivered an unfamiliar ending: Pakistan celebrating a home ODI final victory.
6
269
মির্জা আব্বাস, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই কথাটি বলার জন্য। এতদিন আমি এই কথাগুলো বলে আপনাদের দলের গুপ্ত লীগের কাছে নিয়মিত গালি খাচ্ছিলাম। এখন আপনি বলাতে যদি বিএনপির চোখ খুলে।
2
6
53
655
South Africa’s 176-run Test victory over Australia at Newlands was a masterclass in resilience rather than mere momentum. After Australia gained a 100-run first-innings lead, South Africa faced a daunting deficit. Crucial centuries from Ryan Rickelton and Wiaan Mulder reshaped the contest, proving that restraint and tactical discipline can control a match just as effectively as aggressive strokes. Their partnership forced Australia to defend a challenging 288-run target on a deteriorating pitch. On the final morning, Kagiso Rabada and Simon Harmer dismantled Australia for 111, sealing a memorable 2–1 series triumph. Ultimately, South Africa earned their victory by refusing to let early setbacks dictate the outcome, demonstrating that true sporting courage often lies in quiet endurance. #SAvAUS
1
168
Hello, @narendramodi - a Hindu Woman marries a Muslim man in your India. What'll you do now? By the way, congratulations, Omar Abdullah and Nidhi Razdan!
1
1
12
501
অপরাধীকে অপরাধী না বলে সিনিয়র সাংবাদিক ,সাংস্কৃতি কর্মী ইত্যাদি বসিয়ে দেয়া নতুন কিছু না। এই গুন্ডা নূর ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নীলফামারীতে সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার পর, ওই মামলার এজাহারভুক্ত ও প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে ৪ জন হামলাকারীর (বিএনপি ,শিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী) লাশ বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী লাশ উদ্ধারের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো: ১-গোলাম রব্বানী: তিনি লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক/সভাপতি এবং আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার মূল বা প্রধান আসামি ছিলেন। ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে এবং ১৮ জানুয়ারি সকালে নীলফামারী-ডোমার সড়কের গোচামারী ব্রিজের কাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ২-আতিকুর রহমান আতিক: তিনি টুপামারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং এ মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি সৈয়দপুর বাইপাস সড়কের ধলাগাছা নাড়িয়া খাম্বা এলাকার বিশ্বরোডের নিচ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। ৩- মোহিদুল ইসলাম (২৭)-তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রশিবিরের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নীলফামারীর রামগঞ্জ বাজারে আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িবহরে হামলার মামলায় তিনি অন্যতম অভিযুক্ত আসামি ছিলেন। ১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি টাঙ্গাইল থেকে তার ভাইপো বা চাচাতো ভাই আতিকুর রহমান আতিকের (ছাত্রদল নেতা) সাথে মোহিদুলকেও ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবার অভিযোগ করে। পরবর্তীতে ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রাহুবালা এলাকা থেকে তার গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৪-আরেকজন অভিযুক্ত: মামলার তদন্ত ও পরবর্তী সময়ে আরও একজন আসামির লাশ উদ্ধার করা হয়, যার ফলে মোট উদ্ধার হওয়া লাশের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ জনে। JRA
2
9
559
পরোপকারেও ঝুঁকি: গতকাল চেম্বারে এক রোগীর ওয়াইফ এসেছিলেন। উনার হাজবেন্ডের সপ্তাহে ২ টা করে ডায়ালাইসিস লাগে। ফিস্টুলা নষ্ট হয়ে গেছে। হিমোগ্লোবিন কোন ভাবেই বাড়ে না। মূল উদ্দেশ্য ছিল, পার্মানেন্ট ক্যাথেটার করানোর জন্য কেমন কত লাগবে এজাতীয় তথ্য কালেক্ট করা। যাওয়ার সময় ভিজিট দিতে চাইলে ৫০% করে কাস্টমার কেয়ার আপুকে নোট দিলাম। বেশ কিচ্ছুক্ষণ পরে কাস্টমার কেয়ার আপু হম্বি তম্বি করে রুমে আসল। ঘটনা কি? ঘটনা হল, আপু আমাকে বললেন- স্যার, আপনি যে রোগীকে ভিজিট ৫০% করে দিলেন ওই আপু ভুলে এই পার্স রেখে গেছেন! পার্সের ভিতরে কোন নাম্বার নাই। কোন টাকা পয়সাও নাই। দেখলাম ৫০-৬০ টাকা আছে। বললাম, তাইলে আনলেন কেন? বললেন- স্যার, ভিতরে উনার আর উনার হাজবেন্ডের জাতীয় পরিচয় পত্র আছে! চোখে মুখে বেশ চিন্তার ছাপ! পার্সের ভিতরে একটা কাগজে বেশ কয়েকজনের মোবাইল নাম্বার লেখা আছে। কোন নাম্বার ভুল, কোন নাম্বারে ফোন যায় না আর কেউ ফোন গেলেও ধরে না। বেশ কয়েক জায়গা ট্রাই করার পর একজন দ্বিতীয় বারে ধরলেন! নিজের পরিচয় দেওয়ার পরে জিজ্ঞেস করলাম যে এই নামে কাউকে চেনেন কিনা। উনি বললেন যে উনি চেনেন। আগে উনাদের বাসার পাশে মসজিদে ইমামতী করতেন কিন্তু এখন বাড়ি চলে গেছেন; তবে উনি খবর পাঠাতে পারবেন! বলা হল, উনি যেন এই নাম্কিচ্ছুক্ষণ পরে ফোন করলেন! বললাম যে, আপনি কি পার্স রেখে গেছেন! উনি বললেন হ্যাঁ। আমি স্বাভাবিক ভাবেই জিজ্ঞেস করলাম, পার্সে কি কি ছিল? উনি বললেন , ৫০০ প্লাস কিছু টাকা আর কিছু কাগজপত্র! বলা হল, ৫০০ টাকা তো পাই নাই! কিছু কাগজ পত্র , দুটি জাতীয় পরিচয় পত্র ও অল্প কয়েকটি টাকা আছে! উনি রেগে আগুন! বললেন ৫০০ টাকাই যদি মেরে দিবেন তবে ব্যাগ দিয়ে আমি কি করব?? আমি কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে গেলাম! আস্তে করে বললাম , আপা ভাগ্য আমার ভালো , ৫০০ টাকা বলছেন! ভাগ্যিস ৫০ হাজার বলেন না! তিনি উত্তর দিলেন, তা বলব কেন? যা ছিল তাই বলছি! আমি বললাম, আপনি আসেন! আপনার ব্যাগ ও টাকা দুটোই নিয়ে যান Dr. Abdus Sukur Nephrologist ছবি প্রতীকী
1
10
860
West Indies’ eight-wicket victory over Bangladesh in Mirpur exposed a harsh truth: a turning pitch cannot entirely explain Bangladesh's defeat. While local spin traditionally sparks debates over difficult surfaces, the visitors chased 170 with assurance, anchored by Brandon King’s unbeaten 81. #Bangladesh squandered a promising position by collapsing from 213 for three to 272 on the second morning, surrendering seven wickets for 59 runs. West Indies' bowlers triumphed through discipline and subtle changes of length rather than unplayable turn. Rather than relying on home conditions or passive defense, Bangladesh must refine their preparation. Success requires developing transferable skills - improving batting decisions against disciplined spin and maintaining bowling accuracy. Ultimately, West Indies won because they executed better, proving that adaptation outweighs familiarity. #BANvWI
1
275
পটুয়াখালীর গলাচিপায় বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের এক নেতা। তার কাছ থেকে ট্রান্সফরমার চুরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলায় গত এক বছরে ৬০ থেকে ৬৫টি ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগের মধ্যে এ ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। rtvonline.com/country/412848
4
22
509
খুবই সুন্দর একটি দৃশ্য! আমরা সকলেই এরকম সুন্দর দৃশ্য আরও বেশি, বেশি দেখতে চাই। এত অভিযোগ, বিভাজন ভালো লাগে না। আমাদের চাওয়া কি? আওয়ামীলীগ এবং ভারতীয় প্রভাব মুক্ত একটি বাংলাদেশ। একটি শান্তি পূর্ণ দেশ। এই চাওয়া কি খুব বেশি কিছু? আমারও সময় বের করে পোস্ট করতে ভালো লাগে না। আগস্টের পাঁচ তারিখের পর আমি এই একাউন্ট অফ করে দেবার কথা ভাবছিলাম। পরে করতে পারি নাই শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ এবং ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য। প্লিজ, আপনারা বিভাজিত হইয়েন না।
1
1
23
1,003
গারবেজদের মাথায় তুললে এরকমই হয়!
2
5
563
এনসিপির সমাবেশ ভালো হয়েছে। এনসিপির উপর তরুণ প্রজন্মের ভরসা অনেক। তারা পুরোনো দলগুলোর উপর একদম আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তারা জুলাই স্পিরিটের একটা দলকে সফল দেখতে চায়। এগিয়ে যাও এনসিপি।
2
3
45
625
কোনভাবেই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। জনগণ অতিষ্ঠ হচ্ছে। asia-post.com/capital/aplcdu…
1
1
10
810
বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন তিন বছর পিছিয়ে যাওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ও আনন্দের সংবাদ। বিগত সরকারের ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি গ্র্যাজুয়েশনের যে প্রস্তুতি চলছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা বাস্তবায়িত হলে তৈরি পোশাক খাতসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটত। বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে পাওয়া শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধাসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক অগ্রাধিকার হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল দেশ। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পেছাতে নতুন করে জাতিসংঘে চিঠি পাঠায়। পরবর্তীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কূটনৈতিক তৎপরতা ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কার্যকর ভূমিকার ফলে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ ও নেপালের গ্র্যাজুয়েশন ৩ বছর পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে কানাডা, ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডের মতো দেশগুলো সমর্থন জানায়। সময়োপযোগী এই অর্জন দেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি মাইলফলক।
27
910
সরকারি ফ্ল্যাট ও কোয়ার্টার নিজের পরিবার বা নিজে না থেকে সাবলেট বা ভাড়া দিয়ে রাখা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কড়া নোটিশ জারি করেছে সরকার। আগামীকালের মধ্যে অবৈধ ভাড়াটিয়া না সরালে ১ নভেম্বর থেকে বরাদ্দ বাতিল, আইনানুগ ব্যবস্থা এমনকি চাকরিচ্যুতি পর্যন্ত হতে পারে। ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজিমপুরে একটি সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেটের ‘টু-লেট’ দেখে ক্ষুব্ধ হন এবং সংশ্লিষ্টদের সদুত্তর না পেয়ে গোপনে দেশব্যাপী খোঁজ নিয়ে এই ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র পান। জাপান যাওয়ার আগেই তিনি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নোটিশ জারির নির্দেশ দেন। আমলাদের এই দীর্ঘদিনের ‘ডাবল ইনকাম’ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। এখন দেখার বিষয়, আমলাদের সম্ভাব্য বাধা পেরিয়ে এই মিশন তিনি কতটা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেন।
2
2
41
1,468
Two Bl00dy Indians 🤪 #IndiaOut
3
2
1
20
1,532
Sheikh Hasina and Sajeeb Wazed Joy made eight false and misleading claims about Bangladesh’s July Uprising and subsequent events at a Washington press briefing. Waadaa examines the claims. dailywaadaa.com/fact-check/2…
2
274
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাওয়া এই দাবিগুলো মূলত তথ্যগত বিভ্রান্তি, অর্ধসত্য ও রাজনৈতিক অপপ্রচারের মিশ্রণ। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দাবিগুলোর অধিকাংশেরই বাস্তব ভিত্তি নেই। প্রতিটি দাবির বিপক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও যুক্তি নিচে তুলে ধরা হলো: ১. "ভারতকে খুশি করতে তিস্তা প্রকল্প থেকে চীনকে বাদ দেওয়া হয়েছে" - সম্পূর্ণ অসত্য বাস্তবতা: তিস্তা সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (TRCMRP) চীনকে কোনোভাবেই বাদ দেওয়া হয়নি। বরং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সংক্রান্ত আলোচনা ও চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। যুক্তি: তিস্তা প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক অংশগ্রহণের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বড় বড় নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প তদারকি করছে। ২. "মেট্রোরেলের দেড় বিলিয়ন ডলারের কাজ পাচ্ছে ভারত, চীনকে দেওয়া হয়নি" - ভুল উপস্থাপন বাস্তবতা: মেট্রোরেলের কাজ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের (Open Tendering System) মাধ্যমে যোগ্যতা, প্রযুক্তিগত মান এবং জাইকার (JICA) অর্থায়নের শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। যুক্তি: ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পগুলোতে (যেমন এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৬) একাধিক আন্তর্জাতিক ঠিকাদার কাজ করছে। এতে চীনের ঠিকাদারও কাজ করেছে, আবার ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (L&T) এবং জাপানি কোম্পানিগুলো দরপত্রে অংশ নিয়ে কাজ পেয়েছে। এখানে কোনো দেশকে তোষণ করে কাজ দেওয়া হয়নি, বরং স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাজ বণ্টন হয়েছে। ৩. "মাতারবাড়ি বন্দর হয়ে সেভেন সিস্টার্সে করিডোর বানাবে জাপান, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় খরচ মেটাবে বাংলাদেশ" - বিভ্রান্তিকর বাস্তবতা: এটি জাপানের নিজস্ব অর্থনৈতিক কৌশল এবং জাইকার আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি পরিকল্পনার (BIG-D) অংশ। যুক্তি: মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশ থেকে ট্রানজিট ও পোর্ট চার্জ আয়ের বড় একটি সম্ভাবনাময় উৎস। আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ এর ফি ও শুল্ক থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ভারতকে ফ্রিতে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে - এই দাবি ভিত্তিহীন; বরং ট্রানজিট ও বন্দর ব্যবহারের বিনিময়ে আয় নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য। ৪. "জে-১০সি যুদ্ধবিমান, তুরস্কের ড্রোন ও পাকিস্তানের জেএফ-১৭ বিমান আমদানির আলোচনা বাতিল" - অসত্য ও অপপ্রচার বাস্তবতা: সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ (Forces Goal) একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং সংবেদনশীল কৌশলগত প্রক্রিয়া। কোনো চুক্তি বাতিল বা চূড়ান্ত করা কোনো একক রাজনৈতিক আবেগের ওপর নির্ভর করে না। যুক্তি: সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিফেন্স পারচেজ অ্যাপ্রুভাল কমিটির মূল্যায়ন, বাজেট এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন অগ্রাধিকার পায়। চীনের জে-১০সি (J-10C), তুরস্কের বায়রাক্তার ড্রোন কিংবা পাকিস্তানের জেএফ-১৭ (JF-17) সংক্রান্ত আলোচনা স্ট্র্যাটেজিক লেভেলে বহাল থাকে এবং সুবিধা ও প্রতিরক্ষা চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই যেকোনো দেশের সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়। ৫. "হাসিনা ও বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি একই" এবং "'সবার আগে বাংলাদেশ' সার্বভৌমত্বকে হুমকিতে ফেলেছে" - যুক্তিহীন অপপ্রচার বাস্তবতা: "সবার আগে বাংলাদেশ" (Bangladesh First) কোনো দুর্বল নীতি নয়; এটি একটি স্বাধীন দেশের আত্মমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে তৈরি পররাষ্ট্রনীতি। যুক্তি: অসংলগ্ন একপেশে তোষণনীতির বিপরীতে "সবার আগে বাংলাদেশ" নীতির মূল ভিত্তি হলো- পারস্পরিক সম্মান, সমতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ। কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের ওপর একক নির্ভরতা না রেখে চীন, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও মুসলিম বিশ্বের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই এই নীতির মূল লক্ষ্য। গুজব ও অপপ্রচারে কান না দিয়ে, আন্তর্জাতিক চুক্তি ও উন্মুক্ত দরপত্রের মতো তথ্যভিত্তিক নথিপত্র পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয় যে, উল্লিখিত দাবিগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন।
মাতারবাড়ি বাংলাদেশের ভারতের না ভারত হটাও, বাংলাদেশ বাঁচাও ইনকিলাব জিন্দাবাদ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
9
3
18
1,203
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই। সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম। সমাজে তাঁরা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাঁদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল আমার বক্তব্যের মূল কথা। বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছি। এখানে আমার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’। দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাঁদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা। © Anm Ehsanul Haque Milon
3
5
1
26
1,778
Thank You!
1
31
3,144